বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ এবং যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো এক বার্তায় এই শোক জানানো হয়।

বাদশাহ তার বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ আমরা গভীর দুঃখের সঙ্গে গ্রহণ করেছি। এ শোকাবহ সময়ে আমরা আপনাদের ও মরহুমার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করছি। আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন খালেদা জিয়াকে অসীম রহমত ও ক্ষমার চাদরে আবৃত করেন, জান্নাতে সর্বোচ্চ স্থান দান করেন এবং আপনাদের সবাইকে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন। নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর এবং নিশ্চয়ই আমরা তার কাছেই প্রত্যাবর্তনকারী।

যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদে আমরা শোকাহত। এই দুঃখজনক সময়ে আমরা আপনাদের ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জানাচ্ছি। আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন মরহুমাকে তার রহমত ও ক্ষমার চাদরে আবৃত করেন, জান্নাতে স্থান দেন এবং আপনাদের সবাইকে সব ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও প্রার্থনা কবুলকারী।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসারত অবস্থায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের এই প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি যুগের অবসান। গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে তিনি ছিলেন দৃঢ় ও আপসহীন এক নেত্রী। এই রাজনীতিকের চলে যাওয়ায় রাজনীতির ময়দান হারালো এক শক্তিশালী ও প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর।